Daily Gentsline
বাসরঘরে তালাক দশম শ্রেনির মাদরাসার ছাত্রীর
স্ত্রী হিসেবে মহিলা মাদ্রাসা আর জেনারেল বলতে কিছু নেই, যার মধ্যে দ্বীনদার বুঝদার ও সাথে সাথে তাকওয়াও আছে, স্ত্রী হিসেবে সেই উত্তম!
বিয়ে করে বর নতুন বউকে নিয়ে বাড়িতে যায়। পরদিন বেঁকে বসে নববধূ। অবশেষে বরের অগোচরে প্রেমিককে ডেকে আনার অপরাধে তালাকপ্রাপ্ত হন মাদরাসাছাত্রী। আটকে রাখা হয় কথিত প্রেমিককে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটার পর বিয়ে করবে না বলে আটক প্রেমিক লাপাত্তা হয়ে যায়। এ অবস্থায় গত শুক্রবার থানায় অভিযোগ করেন তালাকপ্রাপ্ত নববধূ। পরে বিয়ের দাবি নিয়ে ওই প্রেমিকের বাড়িতে তালাকপ্রাপ্ত দশম শ্রেনির মাদরাসার ছাত্রী অবস্থান করছে।
মাদরাসার ছাত্রী হলেই যে ভালো আর স্কুলের হলেই খারাপ - এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। যে মেয়ে বেপরোয়া চলাফেরা করে, যার পারিবারিক পরিচয় ভালো না সে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
আমার একমাত্র ফেসবুক আইডি
Aminul Islam Amin
ফ্লার্ট করা ছেলেদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। আপনি যতটুকু প্রশংসার যোগ্য তার চেয়ে বেশি প্রশংসা যখন কেউ আপনাকে করে, তার সম্পর্কে সাবধান হয়ে যান। ভালো ছেলেগুলো সাধারণত খুব একটা স্মার্ট হয় না। তারা হয়তো বোরিং হয়, কিন্তু তারা কখনো চিট করে না। অন্যদিকে, ফ্লার্ট করা পুরুষ এ্যাট্রাকটিভ হলেও কথার ফাঁদে মেয়েদের সর্বনাশ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এজন্য চেহারা না, চরিত্রের প্রেমে পড়ুন।
♦️সবসময় নিজের গাট ফিলিংসকে প্রাধান্য দিন। দেখে খারাপ মনে হয় না, কিন্তু মন থেকে কেন জানি লোকটাকে পছন্দ হয় না - এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন।
♦️আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রণ - এগুলা কিচ্ছু না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা আর যোগ্যতা দেখে যেন একটা ছেলে আকৃষ্ট হয়, নিজেকে সেভাবে তৈরি করুন। নিজেকে সুন্দর দেখানোর বাসনা মেয়েদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। রূপচর্চায় কম, যোগ্যতা অর্জনে বেশি সময় দিন।
♦️চোখ বন্ধ করে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। (গণহারে ট্রাস্ট এর কথা বলছি, ট্রাস্টওয়ার্দি ম্যান অবশ্যই আছে) বাবার অফিসের কলিগ, মামার পরিচিত, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পারসন, মহাপুরুষ টাইপের লোক - এরকম কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না। মনে রাখবেন, মেয়েরা কাছের মানুষদের দ্বারা সে*ক্সুয়ালি অ্যা*বিউজ হয় সবচেয়ে বেশি।
♦️কারো বাসায় যেতে হলে পরিবারকে জানিয়ে যাবেন। যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার ঠিকানা, ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই বা বোনকে দিয়ে যান। এবং অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব বাসায় ফিরে আসুন। পরিবারের সদস্যদের ছাড়া কোথাও রাত কাটাবেন না।
♦️বাবা-মাকে বন্ধু বানান। তাদের কাছে কোনোকিছু গোপন করবেন না বা তাদের অজান্তে কোনো কাজ করবেন না। নিজের সিক্রেট কথাগুলো পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কারো সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। মনের কথা কাউকে বলে হালকা হতে চাইলে শ্রোতা হিসেবে ফ্যামিলি মেম্বারদের বেছে নিন।
♦️কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাবুন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন, ১০০ বার।
♦️নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মেয়েরা আবেগের কারণে ভিকটিম হয়।
♦️সব সময় সৎ পথে থাকবেন। খারাপ পথগুলো সহজ, অনেক বেশি আনন্দ দেয়, কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্য। সঠিক পথ আপনাকে দেবে নিরাপত্তা, তা যত কষ্টেরই হোক না কেন।
#collected
আহারে প্রজন্ম 😰😰😰
ভয়ংকর এক নারী প্রজন্মের অপেক্ষায় আমরা!!
৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বছর বয়সেও বিয়েহীন। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করেছে যে। আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷
তাদের যৌবনের চাহিদা, আবেগ,ভালোবাসা হারানোর ফলে। স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারে দরকষাকষি করবে৷ আর স্বামীও তাদের মাঝে আনুগত্য, কোমলত্ব,নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। তখন সংসার টিকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ তার স্ত্রী ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে। তার আস্ত দেহটাই নারীর বৈশিষ্ট্য হলেও। সে মানসিকভাবে পুরুষ। স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল ভাবে পুরুষ।এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে। মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন থেকে যেমন বঞ্চিত হবে। বঞ্চিত হবে সংসার থেকেও। বঞ্চিত হবে আখিরাতের মুক্তি থেকেও...।
সংগৃহীত
প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায়?
আমি কিছু দিন ধরে প্রচন্ড আত্নগ্লানিতে ভুগছি।অনেক কষ্টে আছি।
নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বেঈমান নারী
বলে মনে হচ্ছে।
আমি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতাম। সে তখন রুয়েটে পড়াশোনা করত। সেই সময় রুয়েট রাজশাহী বিআইটি নামে পরিচিত ছিল। ২০০১ সালে আমাদের প্রথম সম্পর্ক শুরু হয়।
সম্পর্কে যাবার পরে সে আর আমাকে টিউশনি করতে দেয় নাই রেজাল্ট খারাপ হবে বলে। সে নিজে টিউশনি করে একটা ভাল আয় করত। আমাকে সে মাসে ১৫০০-২০০০ টাকা করে দিত । সেই সময়ে ১৫০০ টাকা অনেক মূল্য ছিল। গরুর মাংশের কেজি ছিল ৭০ টাকা সেই সময়ে। তার অর্থতেই আমি অনার্স পড়া শেষ করি।
এরপর আমি বাড়ি চলে যাই। আর সে আমেরিকা যাবে বলে ঢাকায় চলে যায়। গ্রামের একটা হাইস্কুলে আমি শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পাবার চেষ্টা করি কিন্ত কমিটি ৫০ হাজার চায়। আমার বাবা ৩৫ হাজার টাকা ম্যানেজ করে দেয়। বাকি ১৫০০০ টাকা সে দিয়েছিল, তার সখের ক্যামেরাটি বিক্রি করে।
আমাদের সম্পর্কটা ছিল স্বামী স্ত্রীর মত অতি ঘনিষ্ঠ অন্তরঙ্গ। কখনো কল্পনা করে নাই যে আমি তাকে ভিন্ন অন্য কাওকে বিয়ে করব। কিন্ত ভাগ্য ছিল অন্যরকম। আমার পরিবার খুবই রাগী এবং এক কথার মানুষ । আমাকে না জানিয়েই আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেন। এরপর হঠাৎ করে একদিন সন্ধ্যায় এসে পাত্রপক্ষ আমাকে আংটি পড়িয়ে যায়। গ্রামের সমাজে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হবার পরে মেয়ে পালিয়ে গেলে পরিবারের সন্মান নষ্ট হয়। আমি যদি সেদিন তার কাছে পালিয়ে যেতাম তবে আমার ছোট বোনদের কেও আর বিয়ে করত না। পরিবারের সন্মান রক্ষায় আমি ভালবাসাকে কবর দিয়ে বাবা মায়ের ইচ্ছায় বিয়ে করে নেই।
সে এই ঘটনা জানতে পেরে সুইসাইড এটেম্পট নিয়েছিল। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় সে বেচে যায়। এরপর সে আমেরিকা চলে যায় জিআরই এক্সামে দিয়ে। এরপর লম্বা ১৫ বছর আমি আর তার কোন খোজ রাখে নাই। খোজ রাখার মত মুখ আমার ছিল না।
গত বছর আমার ছোট মেয়ের হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে এবং ভারত নিয়ে যাবার দরকার হয় হার্টে অপরেশন করার জন্য। সেই সময়ে আমি ও আমার স্বামী অর্থনৈতিক ভাবে অনেক টানাপোড়নের মধ্যে পড়ি। এরমধ্যে একদিন দেখি যে কে যেন আমার ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে আড়াই লক্ষ টাকা পাঠিয়েছে। খোজ নিয়ে জানতে পারি যে তিনি হলেন আমার এক্সের রুমমেট। তার রুয়েটের রুমমেট বাসা আমাদের এলাকায় হওয়ায়, তার মাধ্যমে আমার মেয়ের কথা জানতে পেরে টাকা পাঠিয়েছে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার যোগাড় করে ।
বহু বছর পরে যখন তার সাথে কথা হল তখন সে শুধু বলল , " এরকম একটা মেয়ের স্বপ্ন তো আমরা দেখতাম। ভাগ্যে নাই , তাই হই নাই। তোমার মেয়ে আমার কাছেও মেয়ের মতই।"
আমি শুধু কেদেছি। একজন মানুষ কিভাবে এত ভাল হয়? কিভাবে এতটা ভালবাসে? কিভাবে এত বড় বেঈমানীর পরেও ক্ষমা করে দেয়? আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তার স্ত্রীর সম্পর্কে। সে শুধু বলল, " আমার স্ত্রী অনেক ভাল মেয়ে কিন্ত আমি তাকে ভালবাসতে পারি নাই। তার সাথে সংসার রুটিন ওয়ার্কের মত। এক মনে দুজনকে ভালবাসা যায় না"
সত্য বলতে আমিও আমার স্বামীকে একটুও ভালবাসতে পারি নাই যদিও আমার স্বামী খুবই ভাল মানুষ। আসলে প্রথম ভালবাসার পরে জীবনে বিয়ের মাধ্যমে অন্য যারা আসে তাদের সাথে সম্পর্কটা রুটিন ওয়ার্কের মতই হয়। আজকে ৪ টা জীবন একটা ভুল সিদ্ধান্তে বলি হচ্ছে।
সে আমার কাছে অর্থ বিচারে হয়ত ৬-৭ লক্ষ টাকা পাবে সব মিলিয়ে। এই টাকা সে কখনো নিবে না। আর এই টাকা ফেরত দিলেও তার ঋণ শোধ হবে না। আমার বিবেক আমাকে প্রতি ক্ষণে হ/ত্যা করছে। মুক্তির উপায় কি কেউ বলবেন প্লিজ ?
ডিভোর্সি নাকি বিধবা
এ যুগের ৯০% ডিভোর্সি নারীদের অবস্থাই সেক্যুলার/নারীবাদী/ভুস্কি মানসিকতার,এদের বিয়ে করা আর খাল কেটে কুমির ডেকে আনা একই কথা।
মুহাম্মদ সাঃ এর ১১জন স্ত্রীর মধ্যে ৯জন ই বিয়ের সময় বিধবা ছিলেন।
"পুরুষ মানুষ সহজে কাঁদে না... কারণ পুরুষের চোখে জল মানায় না... জন্মের পর তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয় যতো কষ্টই হোক তোমার চোখে জল আনা যাবে না !!
.
নারীরা হুটহাট কেঁদে উঠতে পারে... নারীরা রাগে কাঁদে, অভিমানে কাঁদে, কষ্টেও কাঁদে... কিন্তু পুরুষ কখনো অভিমান কিংবা রাগে কাঁদে না... নারীর চোখের জলে ছলনা থাকলেও পুরুষের চোখের জলে কোনো ছলনা নেই !!
.
তবুও যদি কোনো পুরুষ কাঁদে তবে বুঝতে হবে সে বড় কষ্টটাই পেয়েছে এবং সে আসলেই কাঁদতেছে... পুরুষ কান্নার অভিনয় করতে পারে না... পুরুষের কান্নার দৃশ্য ভয়াবহ... পুরুষের কান্নার কারণ তীব্রতর হয় !!
.
তবুও পুরুষেরা কাঁদে... পুরুষ কাঁদে চারদেয়ালের আড়ালে... পুরুষ কাঁদে বারবার ইন্টার্ভিউ বোর্ডে ব্যর্থ হয়ে সার্টিফিকেটের দিকে তাকিয়ে... পুরুষেরা কাঁদে সংসারের চাহিদা না মেটাতে পেরে... পুরুষেরা কাঁদে বাবা-মায়ের চাহিদা পূরণ করতে না পেরে... পুরুষেরা কাঁদে প্রেমিকা হারালে !!
.
পুরুষ মানুষ নিজের জন্য যতটা না কেঁদেছে তার চেয়েও বেশি কেঁদেছে অন্য কারোর মন রক্ষার জন্য... পরিবার, বাবা মা, ছেলেমেয়ে কিংবা প্রেমিকার আবদার পূরণ করার জন্যও পুরুষের চোখের জল মাটিতে ফেলতে হয় যা অনেক প্রেমিকাই জানেনা !!
.
ইতিহাস বলে যে নারী ইচ্ছাকৃতভাবে পুরুষের চোখের জলের কারণ হয়েছে সেই নারী জীবনে খুব একটা সুখী হতে পারেনি... এটা নয় কোনো পুরুষের অভিসাপ, এটা পুরুষের চোখের জলের কারণ আর দীর্ঘশ্বাস !!
.
নারীরা বেঁচে থাকে বাবা কিংবা স্বামীর উপর ভরসা করে... আর সেই নারীর জন্যই যদি কোনো পুরুষের কাঁদতে হয় তাহলে সেটা সেই নারীর জন্যই অমঙ্গল... পুরুষের চোখের জল বিফলে যায় না, প্রকৃতিই তার প্রতিদান দেয় !!
.
তবুও পুরুষেরা বীর... দিনশেষে একটা পরিবার, বাবা মা কিংবা একটা নারীর বেঁচে থাকার শক্তি... পুরুষকে কাঁদিয়ে যে নারী জীবনে বড় হতে চেয়েছে তার সারাজীবন ভাঙতে ভাঙতে গেছে... কারণ একটা নারীর জীবনে স্রষ্টার পরেই একজন পুরুষের স্থান !!"
© মিজানুর রহমান শ্রাবণ
.
স্ত্রীরা খারাপ হলে মানুষ বিয়ে কেন করে 🤔
প্রায়ই বিবাহিত মানুষ বলে, আমরা বিয়ে করে ফেঁসে গেছি, তুমি ফেঁসো না। স্ত্রী খারাপ হয়, অযথা হয়। স্বামীকে সন্দেহ করে, সব ব্যাপারে বাধা দেয়, প্রতিবেশীর সঙ্গেও কথা বলতে দেয় না। যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে বাকিরা কেন বিয়ে করে?
স্ত্রী খারাপ হয়, এটা জানার পরও। অনেক লোক স্ত্রীর তুলনা মিষ্টির সাথে করে, খাও তো ভুল, না খাও তো ভুল। বলে, যারা খায় তারা পস্তায়, যারা না খায় তারা-ও পস্তায়। স্ত্রীর তুলনা মিষ্টির সাথে, বোকা কোথাকার! হয়তো তাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই যে এই স্ত্রী আসলে কি!
স্ত্রীর গুরুত্ব কি? স্ত্রী ছাড়া কি আপনার সংসার আছে? একটি মেয়ে, একটি কন্যা, তার নিজের ঘর ছেড়ে এসে আপনার ঘরে আপনার স্ত্রী, বাড়ির বউ হয়ে আসে, এবং আপনি তাকে খারাপ বলেন? সে আপনার পুরো বাড়ি সামলায়, আপনার সবকিছুর যত্ন নেয়, সবকিছু ভুল জায়গা থেকে তুলে ঠিক জায়গায় রাখে। পুরো জীবন আপনার নামে উৎসর্গ করে। আপনাকে মেয়ে/ছেলের উপহার দিয়ে আপনার ঘর আলো করে তোলে। আপনাকে খারাপ কাজ করা থেকে আটকায়। আপনি একা থাকলে, সে আপনাকে স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, বোন, ভাসুর, মায়ের মতো ভালোবাসা দেয়। আপনার বেতন কম হলেও সে কোনো অভিযোগ করে না। আপনার খারাপ সময়ে, দুঃখে, কষ্টে পাশে থাকে। আপনি অসুস্থ হলে আপনাকে সন্তানের থেকেও বেশি ভালোবাসা দেয়। আপনার পুরো পরিবার, ঘর সামলায়। তবুও অনেক নির্লজ্জ লোক বলে স্ত্রী খারাপ হয়, ভুল হয়, বাধা দেয়।
আরে, আপনি যদি ভুল কাজ করেন, সে আপনাকে আটকাবে না তো কি করবে? এতে খারাপ কি? এতে লাভ কার? আপনারই তো, তাই না? তাহলে স্ত্রী খারাপ বা ভুল কেন? স্ত্রী কোনো মিষ্টি নয়, সে ঈশ্বরের অমূল্য দান, যা কপালীদেরই মেলে।
আপনি যদি বিবাহিত হন, তাহলে নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবুন, ভাগ্যবান ভাবুন যে কেউ তো আপনার যত্ন করছে, কেউ তো আপনার পাশে আছে। অন্যথায় আপনার মা-বাবার পর আপনাকে কে দেখবে? ভাই, হিসাব করুন, কতটা পরিবারের ভাই আজকাল একসঙ্গে থাকে? আপনার বোন, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি চলে যাবে। স্ত্রী না থাকলে, একা একা থাকবেন, পাগল হয়ে যাবেন। নিজের চুল ছিঁড়তে শুরু করবেন। অসুস্থ হবেন, বিছানায় পড়ে থাকবেন, কেউ আপনাকে দেখবে না।
তাই সবসময় স্ত্রীর সম্মান করুন, স্ত্রীকে সব সুখ দিন। স্ত্রী খারাপ নয়, খুবই সরল, আপনার সহযাত্রী, আপনার জীবনসঙ্গী, আপনার দুঃখ-সুখের সঙ্গী। আশা করি বিবাহিতরা নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করবেন, এবং তাদের স্ত্রীর সাথে কখনোই খারাপ আচরণ করবেন না। স্ত্রীকে মিষ্টি বলবেন না, কারণ স্ত্রী ছাড়া আপনার কোনো ঘর নেই, সংসার নেই। আর আপনি স্ত্রীর সাথ ছাড়া কিছুই নন!
picture by #Ai
written by #Nilima
presented by #NilimarGolpo
বাসরঘরে তালাক দশম শ্রেনির মাদরাসার ছাত্রীর স্ত্রী হিসেবে মহিলা মাদ্রাসা আর জেনারেল বলতে কিছু নেই, যার মধ্যে দ্বীনদার বুঝদার ও সাথে সাথে তা...
-
পুরুষের জীবন অর্থবহ করার ১০ উপায় মধ্য ত্রিশে থাকা পুরুষের জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে পারে এমন ১০টি কাজের তালিকা— ১। পরিবারসংশ্লিষ্টতা : কৈশোরে...
-
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করতে চাইলে আগে কমছে কম এক কোটি বার ভাবুন। এ যুগের ৯০% ডিভোর্সি নারীদের অবস্থাই সেক্যুলার/নারীবাদী/ভুস্কি মানসিকতার,এদে...
-
বাসরঘরে তালাক দশম শ্রেনির মাদরাসার ছাত্রীর স্ত্রী হিসেবে মহিলা মাদ্রাসা আর জেনারেল বলতে কিছু নেই, যার মধ্যে দ্বীনদার বুঝদার ও সাথে সাথে তা...



