ফ্লার্ট করা ছেলেদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। আপনি যতটুকু প্রশংসার যোগ্য তার চেয়ে বেশি প্রশংসা যখন কেউ আপনাকে করে, তার সম্পর্কে সাবধান হয়ে যান। ভালো ছেলেগুলো সাধারণত খুব একটা স্মার্ট হয় না। তারা হয়তো বোরিং হয়, কিন্তু তারা কখনো চিট করে না। অন্যদিকে, ফ্লার্ট করা পুরুষ এ্যাট্রাকটিভ হলেও কথার ফাঁদে মেয়েদের সর্বনাশ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এজন্য চেহারা না, চরিত্রের প্রেমে পড়ুন।
♦️সবসময় নিজের গাট ফিলিংসকে প্রাধান্য দিন। দেখে খারাপ মনে হয় না, কিন্তু মন থেকে কেন জানি লোকটাকে পছন্দ হয় না - এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন।
♦️আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রণ - এগুলা কিচ্ছু না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা আর যোগ্যতা দেখে যেন একটা ছেলে আকৃষ্ট হয়, নিজেকে সেভাবে তৈরি করুন। নিজেকে সুন্দর দেখানোর বাসনা মেয়েদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। রূপচর্চায় কম, যোগ্যতা অর্জনে বেশি সময় দিন।
♦️চোখ বন্ধ করে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। (গণহারে ট্রাস্ট এর কথা বলছি, ট্রাস্টওয়ার্দি ম্যান অবশ্যই আছে) বাবার অফিসের কলিগ, মামার পরিচিত, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পারসন, মহাপুরুষ টাইপের লোক - এরকম কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না। মনে রাখবেন, মেয়েরা কাছের মানুষদের দ্বারা সে*ক্সুয়ালি অ্যা*বিউজ হয় সবচেয়ে বেশি।
♦️কারো বাসায় যেতে হলে পরিবারকে জানিয়ে যাবেন। যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার ঠিকানা, ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই বা বোনকে দিয়ে যান। এবং অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব বাসায় ফিরে আসুন। পরিবারের সদস্যদের ছাড়া কোথাও রাত কাটাবেন না।
♦️বাবা-মাকে বন্ধু বানান। তাদের কাছে কোনোকিছু গোপন করবেন না বা তাদের অজান্তে কোনো কাজ করবেন না। নিজের সিক্রেট কথাগুলো পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কারো সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। মনের কথা কাউকে বলে হালকা হতে চাইলে শ্রোতা হিসেবে ফ্যামিলি মেম্বারদের বেছে নিন।
♦️কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাবুন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন, ১০০ বার।
♦️নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মেয়েরা আবেগের কারণে ভিকটিম হয়।
♦️সব সময় সৎ পথে থাকবেন। খারাপ পথগুলো সহজ, অনেক বেশি আনন্দ দেয়, কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্য। সঠিক পথ আপনাকে দেবে নিরাপত্তা, তা যত কষ্টেরই হোক না কেন।
#collected
আহারে প্রজন্ম 😰😰😰
ভয়ংকর এক নারী প্রজন্মের অপেক্ষায় আমরা!!
৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বছর বয়সেও বিয়েহীন। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করেছে যে। আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷
তাদের যৌবনের চাহিদা, আবেগ,ভালোবাসা হারানোর ফলে। স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারে দরকষাকষি করবে৷ আর স্বামীও তাদের মাঝে আনুগত্য, কোমলত্ব,নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। তখন সংসার টিকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ তার স্ত্রী ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে। তার আস্ত দেহটাই নারীর বৈশিষ্ট্য হলেও। সে মানসিকভাবে পুরুষ। স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল ভাবে পুরুষ।এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে। মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন থেকে যেমন বঞ্চিত হবে। বঞ্চিত হবে সংসার থেকেও। বঞ্চিত হবে আখিরাতের মুক্তি থেকেও...।
সংগৃহীত
বাসরঘরে তালাক দশম শ্রেনির মাদরাসার ছাত্রীর স্ত্রী হিসেবে মহিলা মাদ্রাসা আর জেনারেল বলতে কিছু নেই, যার মধ্যে দ্বীনদার বুঝদার ও সাথে সাথে তা...
-
প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায়? আমি কিছু দিন ধরে প্রচন্ড আত্নগ্লানিতে ভুগছি।অনেক কষ্টে আছি। নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বেঈমান না...
-
পুরুষের জীবন অর্থবহ করার ১০ উপায় মধ্য ত্রিশে থাকা পুরুষের জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে পারে এমন ১০টি কাজের তালিকা— ১। পরিবারসংশ্লিষ্টতা : কৈশোরে...
-
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করতে চাইলে আগে কমছে কম এক কোটি বার ভাবুন। এ যুগের ৯০% ডিভোর্সি নারীদের অবস্থাই সেক্যুলার/নারীবাদী/ভুস্কি মানসিকতার,এদে...
